গাছ-কথা
শংকর ব্রহ্ম
১).
প্লাবনে জলে জলে গাছগুলি ডুবে যায়
জল তার আশ পাশ তলা সব চুষে খায়
গাছ তবু মরে না
ঝুঁকে নুয়ে পড়ে না
গলা তুলে দাঁড়িয়ে সে একা একা লড়ে যায়
শেষে জল সরে গেলে গা ঝেরে উঠে দাঁড়ায়।
২).
গাছগুলি জল পেলে ধীরে ধীরে ওঠে বেড়ে
মানুষেরা বল পেলে কেন ওঠে এতো তেড়ে?
এর কোন মানে যদিও পাইনি তো বুঝে
তাই আমি মানে তার যাই আজও খুঁজে,
দেখি গাছেদের ভিতরে আছে সহনীয় ভাব
আর মানুষের সহ্যের আছে যে বড় অভাব।
কবিতা — গাছ-কথা
শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬
সাম্য-জীবনমুখী কবিতা
১৯
এআই বিশ্লেষণ (মূলভাব)
'গাছ-কথা' কবিতায় কবি শংকর ব্রহ্ম গাছ ও মানুষের স্বভাবের একটি সুন্দর তুলনা তুলে ধরেছেন। প্রথম স্তবকে কবি দেখিয়েছেন কীভাবে বন্যা বা প্রতিকূল পরিস্থিতিতেও গাছ নুয়ে না পড়ে ধৈর্য ধরে লড়াই করে টিকে থাকে। দ্বিতীয় স্তবকে মানুষের সাথে গাছের পার্থক্য দেখানো হয়েছে; গাছ পুষ্টি পেলে শান্তভাবে বাড়ে, অথচ মানুষ শক্তি পেলে আক্রমণাত্মক হয়। কবির মতে, গাছের আছে সহনশীলতা, যা মানুষের মধ্যে ভীষণ অভাব।