বুঁদ হয়ে থাকা
শংকর ব্রহ্ম
রাত্রি এসে মুছে দেবে সব এও কি সম্ভব
দুঃস্বপ্নের অন্ধকার কেড়ে নেবে
জীবনের আনন্দ উৎসব
রাত্রি এসে মুছে দেবে সব
কি জানি কি হয় মনে জাগে ভয়
তবু মনেহয় ভোর হলে পাখি জাগে
নানা সুরে করে কলরব
এও তো জীবনের আনন্দ উৎসব
ঘুম ভেঙে সকালের রোদে জানলায় দেখি
নিকটে বাতাবি গাছে পাখিদের বার্তা বিনিময়
সকালটা মনে হয় যেন ঠিক স্বপ্নের মতো
বহুকাল অপেক্ষার পর
এমন সকাল আসে জীবনে একবার
তখন সবকিছু খুব প্রিয় মনে হতে থাকে
কয়েকটি পাখির ডিম পড়ে আছে নীড়ের ভিতরে
আমার তো ডিমের ভিতরে যেতে খুব ইচ্ছে করে
সেখানে নীরবে শুধু
কুসুমের মতো নিজের ভিতরে একা
ইচ্ছের হলুদ ওমে বুঁদহয়ে থাকা
কবিতা — বুঁদ হয়ে থাকা
মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬
সাম্য-জীবনমুখী কবিতা
১২
এআই বিশ্লেষণ (মূলভাব)
শংকর ব্রহ্মের 'বুঁদ হয়ে থাকা' কবিতাটি মানুষের ভেতরের ভয়, আশা এবং প্রকৃতির সান্নিধ্যে আত্মমগ্নতার এক সুন্দর প্রকাশ। রাতের দুঃস্বপ্ন শেষে ভোরের পাখির কলকাকলি ও রোদের আলো জীবনের প্রতি গভীর ভালোবাসা জাগায়। ডিমের কুসুমের মতো নিজের মধ্যে নীরবে উষ্ণতায় বুঁদ হয়ে থাকার ইচ্ছা কবির নিঃসঙ্গতা ও আত্মিক প্রশান্তির তীব্র আকাঙ্ক্ষাকে ফুটিয়ে তুলেছে।