শিক্ষিত হও
( ভারত বর্ষ তথা গোটা বিশ্বে বাংলা ভাষায় সর্বাধিক সনেট রচয়িতা এটি পেত্রাকার ছন্দে লেখা সনেট ।)
যুবক-যুবতীরা লেখাপড়া শিখছে ,
পাশ করে পাচ্ছে ডিগ্রি, পাচ্ছে নাকো কাজ,
শিক্ষিত সবাই হচ্ছে না দেখছি আজ,
নকল সেবকরা ভেক নিয়ে বলছে ,
বন্ধু ভারতের উদয় নাকি হয়েছে,
ডিগ্রিধারীরা করছে ওদের তোয়াজ ,
শিক্ষিত হও, তবেই পাল্টাবে সমাজ,
ডিগ্রির মূল্য নেই, শিক্ষার মূল্য আছে।
ডিগ্রি পেয়েছ বলে হওনিকো শিক্ষিত,
বন্ধু, শিক্ষিত হতে গেলে বুঝতে হবে
সমাজকে, চিনতে হবে নকলদের,
ভক্ত বা বিরোধী হয়ো না অন্ধের মত,
যুক্তি দিয়ে বিচার করে সব বুঝবে,
চিনবে না কিছু, যদি হও স্বার্থপর।
কবিতা — শিক্ষিত হও
মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬
সাম্য-জীবনমুখী কবিতা
৪৩
এআই বিশ্লেষণ (মূলভাব)
'শিক্ষিত হও' কবিতাটি পেত্রার্কার ছন্দে রচিত একটি সচেতনতামূলক সনেট। এখানে কবি শুধু ডিগ্রি অর্জনকে প্রকৃত শিক্ষা বলতে নারাজ। বেকারত্ব, তোষামোদ ও সামাজিক বাস্তবতার চিত্র তুলে ধরে কবি অন্ধ অনুকরণ বা বিরোধিতা না করে যুক্তি ও সামাজিক চেতনার মাধ্যমে প্রকৃত শিক্ষিত হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন। স্বার্থপরতা ত্যাগ করে সমাজকে চেনা ও বোঝা-ই হলো শিক্ষার আসল উদ্দেশ্য।