রান্নাঘর থেকে টেনে এনে স্তনগুচ্ছে চুমু খাও তাকে,
বাথরুমে ভেজানো দরোজা ঠেলে অনায়সে ঢুকে যাও-
সে যেখানে নগ্ন দেহে স্নানার্থেই তৈরি হয়ে আছে
আলোকিত দুপুরের কাছে, মনে রেখো, তোমার রাত্রি নেই
অন্ধকার বলে কিছু; বিবাহিত মানুষের কিছু নেই
একমাত্র যত্রতত্র স্ত্রী-শয্যা ছাড়া। তাতেই শয়ন কর
বাথরুমে, পুজোঘরে, পার্কে, হোটেলে,
সন্তানের পাশ থেকে টেনে এনে ঠোঁটগুচ্ছে চুমু খাও তাকে।
তার প্রতিটি উৎফুল্ল লগ্নে এক-একটি চুম্বন,
প্রতিটি রক্তিম মুখে এক-একটি নিঃশ্বাস দিতে হবে।
সভ্যতা ধ্বংস হোক, গুরুজন দাঁড়াক দুয়ারে,
শিশুরা কাঁদতে থাক, যমদূত ফিরে যাবে এবং অভাব
দেখো লজ্জা পেয়ে ম্লান হবে কিশোরীর মতো।
যেমন প্রত্যহ মানুষ ঘরের দরোজা খুলেই
দেখ নেয় সবকিছু ঠিক আছে কিনা, তেমনি প্রত্যহ
শাঁড়ির দরোজা খুলে স্ত্রীকেও উলঙ্গ করে
দেখে নিতে হয়, ভালো করে দেখে নিতে হয়:
-জঙ্ঘায়, নিতম্বে কিংবা সংরক্ষিত যোনির ভিতরে
অপরের কামনার কোন কিছু চিহ্ন আছে কি না।
কবিতা — স্ত্রী
বৃহস্পতিবার, ১৫ আগস্ট ২০২৪
প্রেমের কবিতা
৩৫১২
এআই বিশ্লেষণ (মূলভাব)
'স্ত্রী' কবিতাটি বিবাহিত দম্পতির শারীরিক ঘনিষ্ঠতা, মনস্তাত্ত্বিক অধিকারবোধ এবং সমাজের শৃঙ্খল ভেঙে দাম্পত্য প্রেমের তীব্র প্রকাশ তুলে ধরে। কবি এখানে দাম্পত্য সম্পর্কের প্রকাশ্য ও গোপন অধ্যায়গুলোকে কোনো সংকোচ ছাড়াই উপস্থাপন করেছেন। এতে স্ত্রীর প্রতি স্বামীর গভীর আসক্তি, শারীরিক ব্যাকুলতা এবং একধরনের নিরাপত্তাহীনতার মধ্য দিয়ে উদযাপিত কামনার বর্ণনা স্পষ্ট হয়ে উঠেছে।