এই আলো-রং-রৌদ্রে আমরা যা কিছু দেখি, তা কি আসলেই তা?
আমরা বিষাক্ত হাওয়ার কীট আসলেই আর কিছুর কিছুকে দেখি না…
জীবনের পদাবলী আজ দেখি একেবারেই উল্টো সুরে বোল তুলেছে
তাই, মরীচায় জরা চেতনার রং আজ বেমালুম তাদের রং ভুলেছে…
যার চোখ আছে, শুনেছি সর্বত্র- সে নাকি তার চোখের মাথা খেয়েছে
যে কিনা অন্ধ, সে-ই নাকি চোখে দেখে বেশি! অষ্টদিকে দিব্যি চেয়েছে…
আসলে কি চোখ বলে কিছু আছে? আসলে কি আমরা কিছু দেখি?
আসলেই অজান্তার মহারাজা হয়ে সবজান্তার কলঙ্ক গায়ে মাখি…
আমাদের যুথচারি চলা, সমস্বরে বলা, আমাদের সমন্বিত কর্ম-কীর্তি
আসলেই কি কিছু বলে তারা! আসলেই সেখানে তারা যারযার বিমূর্ত মূর্তি…
আমাদের আমরা সকলে কি যেন রহস্য-বন্ধনে, তাই সম্পর্ক নিত্য ভঙ্গুর;
আমরা বন্ধু নই, বন্ধুর মতো হই, কেন না, হওয়াটাই যে শত্রুতার অঙ্কুর…
সময়-অবয়ব-জীবন ত্রিমাত্রিক এ হাওয়ার মডেল পরস্পর উল্টোভাবে বাঁধা,
তাই আমাদের জীবন যেন এখানে আসলেই একেকটি পূর্ণাঙ্গ গোলকধাঁধা …
কবিতা — গোলকধাঁধা (দুই)
মঙ্গলবার, ২৩ ডিসেম্বর ২০২৫
সাম্য-জীবনমুখী কবিতা
,
বিদ্রোহী-দ্রোহের কবিতা
১৩৪