দাদখানি চাল, মুসুরির ডাল,চিনি-পাতা দৈ,
দু’টা পাকা বেল, সরিষার তেল, ডিমভরা কৈ।
পথে হেঁটে চলি, মনে মনে বলি, পাছে হয় ভুল;
ভুল যদি হয়, মা তবে নিশ্চয়,”
” ছিঁড়ে দেবে চুল।
দাদখানি চাল, মুসুরির ডাল, চিনি-পাতা দৈ,
দু’টা পাকা বেল, সরিষার তেল, ডিমভরা কৈ।
বাহবা বাহবা – ভোলা ভুতো হাবা খেলিছে তো বেশ!
দেখিব খেলাতে, কে হারে কে জেতে, কেনা হলে শেষ।
দাদখানি চাল, মুসুরির ডাল, চিনি-পাতা দৈ,
ডিম-ভরা বেল, দু’টা পাকা তেল, সরিষার কৈ।
ওই তো ওখানে ঘুরি ধরে টানে, ঘোষদের ননী;
আমি যদি পাই, তা হলে উড়াই আকাশে এখনি!
দাদখানি তেল, ডিম-ভরা বেল, দুটা পাকা দৈ,
সরিষার চাল, চিনি-পাতা ডাল, মুসুরির কৈ!
এসেছি দোকানে-কিনি এই খানে, যত কিছু পাই;
মা যাহা বলেছে, ঠিক মনে আছে, তাতে ভুল নাই!
দাদখানি বেল, মুসুরির তেল, সরিষার কৈ,
চিনি-পাতা চাল, দুটা পাকা ডাল, ডিম ভরা দৈ।
কবিতা — কাজের ছেলে
মঙ্গলবার, ০৭ নভেম্বর ২০২৩
ছড়া
৩৩১৭
এআই বিশ্লেষণ (মূলভাব)
'কাজের ছেলে' সুকুমার রায়ের একটি অত্যন্ত হাস্যরসাত্মক ও জনপ্রিয় শিশুতোষ কবিতা। এতে একটি ছোট্ট ছেলের বাজারের সদাই কিনতে যাওয়ার মজার অভিজ্ঞতা তুলে ধরা হয়েছে। ছেলেটি মায়ের দেওয়া ফর্দ মনে রাখার চেষ্টা করলেও, পথের নানা আকর্ষণ যেমন খেলায় মেতে থাকা বন্ধু ও ঘুড়ি দেখে মন হারিয়ে ফেলে। ফলে বাজারের ফর্দটি সম্পূর্ণ গুলিয়ে ফেলে চরম হাস্যরসের সৃষ্টি করে।