সব শালার চরিত্রই আমার জানা আছে, এবং
সব শালাই খাঁটি হারামজাদা; বললেন
আক্কেল আলী এবং বললেন : যতদিন যাচ্ছে
সব শালাই বাঞ্চোতে পরিনত হচ্ছে এবং খুবই দুঃখের বিষয়
সব শালাই আমার পরিচিত এবং আত্মীয়-বন্ধু-স্বজন।
কথাটি আরেকটি বিস্তৃত করে আক্কেল আলী বললেন :
প্রগতির ধ্বজাধারী বুদ্ধিজীবীর দল বিপদের গন্ধ পেলেই
ভাঁজা মাছ উল্টে খেতে জানে না, বরং
ত্রিকালের ফুলবাবু সেজে দিব্যি বধির, ভালোমানুষ।
এবং আক্কেল আলী ঠিক তক্ষুনি সব শালাদের চেহারায়
কতগুলো মুখোশ দিনে রাতে কী রকম যুৎসই তার বর্ণনা করে
বললেন : এইসব শালা ও বাঞ্চোতদের জন্যেই
দেশটাও আজ রসাতলে গেল।
কবিতা — শালা ও বাঞ্চোতদের জন্যে
বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬
অন্যান্য কবিতা
৪
এআই বিশ্লেষণ (মূলভাব)
এই কবিতায় আক্কেল আলী চরিত্রটির মধ্য দিয়ে সমাজের সুযোগসন্ধানী ও ভণ্ড মানুষদের তীব্র সমালোচনা করা হয়েছে। প্রগতিশীল বুদ্ধিজীবীদের বিপদের সময় নীরব থাকা এবং মুখোশধারী বন্ধুদের আসল রূপ এখানে উন্মোচিত। কবি দেখিয়েছেন কীভাবে এই স্বার্থপর ও চরিত্রহীন মানুষদের কারণেই সমাজ ও দেশ আজ রসাতলে যাচ্ছে। এটি সামাজিক অবক্ষয় ও ভণ্ডামির বিরুদ্ধে এক কঠোর প্রতিবাদ।