যে পথ গাহে বিরহের গাঁথা,
যে পথে ঝরে শুকনো পাতা,
যে পথে আঁখি ভিজে জলে,
যে পথে বেদনা কথা বলে—
যে পথ দিয়ে যায় চলে
গোধূলির আলো-আঁধারের কোলে;
যে পথে সব চোখের দেখা
নীরবে হয়ে যায় স্মৃতির লেখা।

সেই পথে নীরবে একা
তুমি কি গেছ চলে?
ধরণীর সব প্রাণ যে পথে যায়—
কাহাকেও কিছু না বলে।

যে পথে দিনের আলো ফুরায়,
নক্ষত্রেরা জ্বলে অন্ধকারে;
যে পথে হারায় স্থূল পরিচয়,
অক্লান্ত সময়ের পথের পারে—
সেই পথ কি শেষ পথ তবে,
নাকি নতুন কোনো অজানা ভোর?
ধরণীর আশা, ভালোবাসা—
ক্ষণিকের বেদনা, ভরে নয়নের লোর?

সে পথ দিয়ে চলে যায়,
ফেরে না আর কোনোদিন;
তবু তারই পদচিহ্ন খুঁজি
ঝরা পাতার পথে প্রতিদিন।