কেউ ক্ষণিকের ভুলের জন্যে
মান, অর্থ, যশ—সবই ক্ষয় করে ফেলে,
টেনে তুলে ভাবার সময় কোথায়—
মনটা যে একেবারে পরে যায় ঢলে!
আকাশ ছুঁতে পারে হয়তো কেউ,
কিন্তু একটুখানি ওপরে উঠতেও
কত চেষ্টা, কত আয়োজন—
কত সাধনা, কত শ্রম!
আবার আকাশ থেকে মাটিতে পড়া—
কত সহজ,
লাগে না কোনো কঠিন শ্রম !
শুধু লাগে একটু মনের জোর—
তাহলে কত সহজেই জীবনটাকে
নীল আকাশের পাখির মতো
অনায়াসে আনন্দে ভাসাতে পারি;
মুক্ত বাতাসে ডানা মেলে
নির্মল সুখের ছোঁয়ায় ভাসতে পারি।
কিন্তু সভ্যতা আর উন্নতির নামে
নিজেই গলায় ফাঁস লাগিয়ে
ছুটে চলি অবিরাম—
বলির কাঠে টেনে নিয়ে যাওয়া পশুর মতো।
হয়তো কিছু একটু পাওয়া যায়,
কিন্তু—
জীবনটাই তো সরে যায়!
ছুটতে ছুটতে কালের স্রোতে
কে কোথায় হারিয়ে যায়,
উদ্দেশ্য কী ছিল—গুলিয়ে গিয়ে
ক্ষণিক বাঁচার নেশায়
কোন পানা-পুকুরে হারিয়ে যায়।
ফিরে তাকানোর সুযোগ কোথায়?
এ এমন এক রেলের ট্র্যাক,
যেখানে শুধু সামনে যাওয়া যায়,
থামা যায় না—
পিছনে ফেরার তো সুযোগই নাই।
কবিতা — চাই একটু মনের জোর
শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬
রূপক কবিতা
,
সাম্য-জীবনমুখী কবিতা
২১
এআই বিশ্লেষণ (মূলভাব)
'চাই একটু মনের জোর' কবিতাটিতে কবি মানবজীবনের জটিলতা, আধুনিক সভ্যতার ইঁদুর দৌড় এবং মানসিক শক্তির গুরুত্ব তুলে ধরেছেন। মানুষ ভুলের কারণে সব হারায়, কিন্তু ঘুরে দাঁড়াতে প্রয়োজন একটু আত্মবিশ্বাস বা মনের জোর। জীবনের ব্যস্ততায় আমরা আসল উদ্দেশ্য ভুলে যাই। এই কবিতাটি আমাদের জীবনকে মুক্ত পাখির মতো উপভোগ করতে ও মনের জোর বাড়াতে অনুপ্রাণিত করে।